জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার নিয়ম, ঘরে বসেই করুন আবেদন

 

ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন

বর্তমানে পাসপোর্ট তৈরি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা কিংবা সরকারি যে কোনো সেবার ক্ষেত্রে ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। আপনার যদি পুরাতন হাতে লেখা সনদ থাকে, তবে তা দ্রুত ডিজিটাল করা প্রয়োজন। আজকের ব্লগে আমরা ধাপে ধাপে ডিজিটাল করার সঠিক নিয়ম জানাবো।

কেন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন?

  • পাসপোর্ট ও এনআইডি: নতুন পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে এটি অত্যাবশ্যক।

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: স্কুল-কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে অনলাইন কপি প্রয়োজন।

  • আইনি ও দাপ্তরিক কাজ: জমি কেনাবেচা বা সরকারি ভাতা পেতে ডিজিটাল নিবন্ধনের বিকল্প নেই।

ডিজিটাল করার অনলাইন পদ্ধতি (ধাপে ধাপে):

১. অনলাইন ভেরিফিকেশন: প্রথমে bdris.gov.bd সাইটে গিয়ে আপনার ১৭ সংখ্যার নম্বর দিয়ে জন্ম তথ্য যাচাই করুন। যদি তথ্য খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে বুঝতে হবে এটি ডিজিটাল করা নেই।

২. আবেদন ফরম পূরণ: বিডরিস পোর্টালের 'জন্ম নিবন্ধন সংশোধন' বা 'পুনঃ মুদ্রণ' অপশনে গিয়ে আপনার নাম (বাংলা ও ইংরেজি), পিতা-মাতার নাম এবং স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আবেদনের সময় নিচের ডকুমেন্টগুলো সাথে রাখুন:

  • আপনার শিক্ষা সনদ (PSC/JSC/SSC) বা টিকা কার্ড।

  • পিতা ও মাতার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন অথবা এনআইডি-র কপি।

  • বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে হোল্ডিং ট্যাক্স বা বিদ্যুৎ বিলের কপি।

৪. আবেদন জমা ও ফি প্রদান: অনলাইনে আবেদন সাবমিট করার পর ফর্মটি প্রিন্ট করে নিন। এরপর সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা কার্যালয়ে প্রিন্ট কপিটি জমা দিন।

৫. সনদ সংগ্রহ: আপনার আবেদনটি ভেরিফাই হয়ে গেলে মোবাইলে এসএমএস আসবে। এরপর অফিস থেকে আপনার ডিজিটাল স্বাক্ষরযুক্ত রঙিন সনদটি সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিশেষ পরামর্শ: আবেদনের সময় বানানের দিকে বিশেষ নজর দিন, কারণ একবার ভুল হলে সংশোধন করা বেশ সময়সাপেক্ষ।

 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url